Tuesday, 22 Sep 2026
পার্বত্য চট্টগ্রাম June 11, 2026

শিশির চাকমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‘চিটাগং হিল ট্রাক্টস রাইটার্স ইউনিয়নের’

হিল ভয়েস, ১১জুন ২০২৬, বিশেষ প্রতিবেদক: পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিশির চাকমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালানো মানহানিকর অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘চিটাগং হিল ট্রাক্টস রাইটার্স ইউনিয়ন’।

আজ ১১ জুন ২০২৬, সংগঠনের তথ্য ও প্রচার বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীনভাবে শিশির চাকমার বিরুদ্ধে চরিত্রহননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ব্যক্তিগত বিদ্বেষ থেকে পরিচালিত এই অপপ্রচার কেবল একজন সম্মানিত ব্যক্তির মর্যাদাহানি নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্রতি এক চরম অবমাননা।

প্রতিবাদলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, শিশির চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রামের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অঙ্গনে এক সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি চিটাগং হিল ট্রাক্টস রাইটার্স ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং বর্তমানে সংগঠনটির অন্যতম উপদেষ্টা হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সৃজনশীল চিন্তা ও সাংগঠনিক প্রজ্ঞায় বহু নবীন লেখক ও গবেষক অনুপ্রাণিত হয়েছেন। এছাড়া, মোনঘর আবাসিক বিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে শিক্ষাক্ষেত্রে সততা ও মানবিক মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। বর্তমান সময়েও তিনি পাহাড়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কখনোই মিথ্যা তথ্য প্রচার, বিদ্বেষ ছড়ানো কিংবা কোনো ব্যক্তির সম্মানহানি করার অবাধ সুযোগ হতে পারে না। সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজে অভিযোগ উত্থাপনের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে; সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অপপ্রচারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য।

সংগঠনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবিলম্বে এই বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সত্য, ন্যায় ও গুণীজনের মর্যাদা রক্ষায় সাহিত্যিক, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সচেতন নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায় চিটাগং হিল ট্রাক্টস রাইটার্স ইউনিয়ন।

বিবৃতির শেষাংশে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলা হয়, কুৎসা ও অপপ্রচার দিয়ে কখনো সত্যকে আড়াল করা যায় না। শিশির চাকমার আজীবন সেবামূলক কর্ম, সততা ও প্রজ্ঞা আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।