Tuesday, 22 Sep 2026
পার্বত্য চট্টগ্রাম September 16, 2026

পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নাই, সংবিধান মেনেই আমরা পার্বত্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছি: রাঙ্গামাটিতে আলোচনা সভায় ঊষাতন তালুকদার

হিল ভয়েস, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাঙ্গামাটি: আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, মহান নেতা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙ্গামাটির শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটি-২০২৬’র আহ্বায়ক ঊষাতন তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিশির চাকমা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজয় কেতন চাকমা, সভাপতি, এম এন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, সুস্মিতা চাকমা, বিশিষ্ট আইনজীবী ও অন্তর চাকমা, সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ।

আলোচনা সভার শুরুর পূর্বে উদীয়মান কবিদের অংশগ্রহণে এক কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদযাপন কমিটির সদস্য রীনা চাকমা।

উদযাপন কমিটির সদস্য নান্টু ত্রিপুরা ও আশিকা চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব জুয়েল চাকমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিশির চাকমা বলেন, ‘এম এন লারমা মাত্র ৪৪ বছর বেঁচেছিলেন। ক্ষণজন্মা এই মানুষটির বর্ণাঢ্য জীবনের দিকে তাকালে আমরা অনেক কিছু দেখতে পাই। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তার সংসদীয় বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিপীড়িত মানুষের মুক্তির কথা বারেবার তুলে ধরেছেন। স্বল্প সময়ের জীবনে তিনি নিজেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের একজন পথিকৃৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ সংখ্যায় ক্ষুদ্র হলেও জুম্ম জনগণ যে স্বতন্ত্র জাতিসত্ত্বার অধিকারী, আত্ম-মর্যাদাসম্পন্ন, আত্ম-মূল্যবোধসম্পন্ন জাতি সেটি বহির্বিশ্বে তুলে ধরার প্রয়াস প্রথম করেছেন এই অবিসংবাদিত নেতা। প্রবল আত্ম-মর্যাদাসম্পন্ন এম এন লারমা ৩২ বছরেই সংসদে বাঙালিকরণের প্রতিবাদ করেছেন এবং স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য জোর দাবি করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সেই চুক্তির মূলভিত্তি রচিত হয়েছে বিএনপি সরকারের সময়েই। সুতরাং আওয়ামী লীগ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে বলেই বিএনপি চুক্তি বাস্তবায়নের দায় এড়াতে পারে না। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সেটেলার বাঙালিরা ভূমি বেদখল করছে, সেনাক্যাম্প বাড়ানোর দাবি, পার্বত্য চুক্তি ও ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিলের দাবি জানাতে চাচ্ছে। যেখানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এসব হয়ে থাকে, সেখানে জুম্মদের আর কিছু করার থাকে না বললেই চলে।

তিনি আরও বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পার্বত্যবাসীর কোনরূপ সম্মতি ও সমঝোতা ব্যতিরেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক তিনটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা খুবই উদ্বেগজনক। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিটি এখানকার জনমানুষের আবেগ, গণমানুষের প্রাণের দাবি। সুতরাং এই দাবি উপেক্ষা করা সরকারের জন্য মারাত্মক ভূল হবে। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি শুধুমাত্র জেএসএসের – এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে হবে। সবাইকে একই কাতারে দাঁড়িয়ে চুক্তি বাস্তবায়নের দাবি তুলতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ কী বলতে চায়, তারা কী ভাবছে- সেটি সরকারকে অবশ্যই শুনতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ঊষাতন তালুকদার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে এম এন লারমার অবদান, আদর্শ নতুনভাবে জানার অবকাশ তৈরি হয়েছে। অবলুপ্তির পথে ধাবমান জুম্ম জনগোষ্ঠী প্রগতিশীল, মুক্তিকামী ও সংগ্রামের দিকে ধাবিত করেছেন সেটি অবশ্যই আমাদের চর্চার বিষয়। বিলুপ্তপ্রায় জুম্ম জাতির মুক্তির জন্য তিনি রূপরেখা প্রদান করেছেন। এম এন লারমা শুধুমাত্র পাহাড়িদের নেতা নয়, তিনি সমগ্র পৃথিবীর নিপীড়িত, শোষিত মানুষের নেতা। তাই উনার প্রদর্শিত মানবতাবাদী আদর্শ চর্চা করতে হবে, ধারণ করতে হবে, ছড়িয়ে দিতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা ধ্বংস হচ্ছি, বিলুপ্ত হচ্ছি, ধর্মান্তরিত হচ্ছি, তবুও আমরা অনেকেই এসব নিয়ে ভাবছি না, আত্মমগ্ন হয়ে রয়েছি। এভাবে তো দীর্ঘদিন ধরে চলতে পারে না। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে আমাদের অবশ্যই উত্তরণ ঘটাতে হবে। বর্তমানে সরকার কী উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক তিনটি কমিটি গঠন করেছে, সেটি এখনও সুস্পষ্ট নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইউটিডিউবে প্রচারিত আজগুবি ভিডিও দেখে সরকারের প্রভাবিত হওয়া ঠিক হবে না।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নাই। সংবিধান ও সার্বভৌমত্বকে মেনে নিয়েই আমরা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকারকে আবেগ দিয়ে পরিচালিত করলে হবে না, এটি বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিচালিত করতে হবে। সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে সৎ মায়ের সন্তান মনে করলে চলবে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকার কোনো কিছু করতে হলে অবশ্যই জনসংহতি সমিতিকে হিসেব করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকে দুরে ঠেলে দেবেন না। সবকিছু হিসেব-নিকেশ করে যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

ঊষাতন তালুকদার আরো বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করেন জুম্মরা জুম্মরা কেন হানাহানি করে? আমাদের আন্দোলনে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেছে, দালালি করতেছে, তাদেরকে যদি বুঝিয়ে কাজ না হয়, আলোচনার মাধ্যমে যদি সমাধান করা না যায়- তাহলে কী করা? ইউপিডিএফ ভাওতাবাজির মাধ্যমে পূর্ণস্বায়ত্বশাসনের দাবি করে প্রত্যাগত শান্তিবাহিনীর ৮৭জন সদস্যকে হত্যা করেছে। ইউপিডিএফ ও কেএনএফ বিশেষ বাহিনী সৃষ্টি করেছে ও পরিচালনা করে। তারা জঙ্গিদের সাথে মিলেমিশে পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার পায়তারা চালাচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিজয় কেতন চাকমা বলেন, ‘এম এন লারমা গড়ে ওঠার পেছনে তাঁর পরিবারের অবদান অপরিসীম। আমরা জাতি হিসেবে খুবই দূর্বল। আমি গবেষণা করে উপলদ্ধি করেছি, যে জাতির মায়েরা সচেতন নয়, জ্ঞানে যথেষ্ট পটু নয়, সে জাতি দূর্বল থাকে; সেজন্যই আমাদের জাতির এই অবস্থা। আমাদের মায়েদেরকে অধিকতরভাবে সাহসী, আদর্শিক, সচেতন হতে হবে। সেই মায়েদের গর্ভে আবারও এম এন লারমার মতো নেতার জম্ম হবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাদের রাজা, হেডম্যান,দেওয়ানসহ সামন্তপ্রভূরা সমাজকে কি দিয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সে প্রেক্ষিতে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার অবদান অতুলনীয়। যে ব্যক্তি নিজের জাতি, সমাজকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন, তার আদর্শ ও শিক্ষাকে আমাদের অবশ্যই ধারণ করতে হবে। আমাদের মা-বাবারা যদি সংগ্রামী, সাহসী ও আদর্শিক হয়, সে পরিবারের সন্তানেরা অবশ্যই প্রতিবাদী, আদর্শিক ও সংগ্রামী হয়ে উঠবে। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদেরকে সংগ্রামী, সাহসী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করতে হবে।
আজকে আমাদের একতার অভাব। বর্তমান নেতা সন্তু লারমা স্যার প্রায় বলে থাকেন যে, আমাদের তিনজন রাজা, তিন জন এমপি ও তিনজন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হলেও তাদেরকে আমাদের সাথে একসাথে আন্দোলন করার জন্য পাওয়া যায় না। তারা অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হন। অধিকার তো কেউ কাউকে দেয় না; নিজেদের অধিকার নিজেদেরকে ছিনিয়ে আনতে হবে। ইউপিডিএফের পূর্ণস্বায়ত্বশাসনের দাবি আমার হাসি পাই। এই পূর্ণস্বায়ত্বশাসন কি ভাইকে মারলে পাওয়া যাবে? পূর্ণস্বায়ত্বশাসন হলো এম এন লারমার গড়ে তোলা লড়াই সংগ্রামের আকাশে কালো মেঘের মতো। ২৮ বছর আগে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চুক্তিটি বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সেখানে পূর্ণস্বায়ত্বশাসনের দাবি তো অবশ্যই হাস্যকর। ইউপিডিএফকে এই অবাস্তব দাবি থেকে সরে এসে প্রকৃতভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুস্মিতা চাকমা বলেন, ‘সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে এম এন লারমা বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরোধীতা করেছিলেন। তিনি যে আদর্শের জন্য রাজনীতি করেছেন সেই আদর্শকে আমরা বর্তমানে ঠিকমতো ধারণ করতে পারছি না। এম এন লারমার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেই চুক্তির ফলে যে কিছু প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে, সেগুলো এখন ক্ষমতাসীন দলের ক্ষমতাকাঠামোর অংশ হয়ে গেছে। এখন সময় এসেছে এসব বিষয় নিয়ে গভীরভাবে ভাবার।

তিনি আরও বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে শুধুমাত্র জেএসএসের কিংবা আঞ্চলিক পরিষদের বলে আমরা দায় এড়াতে পারিনা, এই আন্দোলনকে আমাদের সবাইকে নিজেদের করতে হবে। আমাদের নানাবিধ প্রলোভনে প্রভাবিত হয়ে আন্দোলন থেকে দূরে সরে যাচ্ছি। এসব স্বার্থপরতা থেকে বেরিয়ে এসে অস্তিত্ব রক্ষার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং এজন্য দোষারোপের রাজনীতিকে পরিহার করে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এম এন লারমার আদর্শ ও জীবন সংগ্রামকে আলোচনা ও পাঠচক্রের মাধ্যমে তরুণ প্রজম্মসহ সমগ্র জুম্ম জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্তর চাকমা বলেন, এম এন লারমা ছাত্র জীবন থেকেই জুম্ম জনগণের মুক্তির জন্য কাজ করেছিলেন। তৎকালীন ঘুঁণেধরা সামন্তসমাজের বিদ্যমান স্রোতের প্রতিকূলে গিয়ে ছাত্রাবস্থায় কাপ্তাই বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে কারাবরণ করেছিলেন। আত্মমুখীনতাকে প্রাধান্য না দিয়ে জুম্ম জনগণের সামগ্রিক কল্যাণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন যা পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্তমান বাস্তবতায় ছাত্রসমাজের বিশেষভাবে উপলদ্ধি করা দরকার। এম এন লারমার সমগ্র জীবনের শিক্ষাকে বিশেষ পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করে বর্তমান ছাত্র সমাজকে আগামী দিনের লড়াই সংগ্রামে অবশ্যই এগিয়ে নিতে হবে এবং সেই আন্দোলনে নেতৃত্বের হাল ধরতে হবে।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে একই স্থানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভা শেষে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় (ক) বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌষ্ঠব চাকমা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন ভুবনজয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী কবিতা চাকমা ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বরকল সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধনাঢ্য চাকমা। (খ) বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ঢাকা কমার্স কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মেরিন তৈনা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিশা মুনি চাকমা ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বরকল রাগীব রাবেয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির কাজলা চাকমা। (গ) বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী কাঞ্চনা চাকমা, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সেবিকা চাকমা ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শতাব্দী চাকমা।

চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় (ক) বিভাগে প্রথম হয়েছেন হিল পয়েন্ট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির আয়ুস্মিতা চাকমা, দ্বিতীয় হয়েছেন রাজদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী স্মৃতিমান চাকমা ও তৃতীয় হয়েছেন রাণী দয়াময়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মনদ্বীপ চাকমা; (খ) বিভাগে প্রথম হয়েছেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির সামান্ত শ্রেষ্ঠী চাকমা, দ্বিতীয় হয়েছেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলয় বড়ুয়া ও তৃতীয় হয়েছেন রাঙ্গামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রত্যয়া চাকমা; (গ) বিভাগে প্রথম হয়েছেন লেকার্স পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আল নিসা, দ্বিতীয় হয়েছেন সেন্ট ট্রিজার স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সপ্তার্য চাকমা ও তৃতীয় হয়েছে বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নীতিশ চাকমা।